মূল বিষয়ে যান

জ্ঞান, দক্ষতা ও গল্প

সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে
নমুনা পড়ুন
বই

সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে

সম্পর্ক ও দায়িত্বের চাপে নিজের প্রয়োজন পিছিয়ে রাখার অভ্যাস, তার শিকড় ও ফেরার পথ

রচনা: ebuk

মায়ের অনুরোধ, বসের বাড়তি কাজ, আত্মীয়ের ধার বা শ্বশুরবাড়ির প্রত্যাশায় আপনি বারবার বলেন, “আচ্ছা, আমি দেখছি।” এই বই দেখায় অভ্যাসটি কোথা থেকে আসে, কোথায় তার মূল্য দিতে হয় এবং দায়িত্ব না ছেড়েও কীভাবে নিজের জন্য জায়গা ফিরিয়ে আনা যায়।

পৃষ্ঠা
২৩৬
ভাষা
বাংলা
প্রকাশিত
২০২৬

এই বই সম্পর্কে

সবার জন্য সব করেও যিনি দিনের শেষে নিজেকে খুঁজে পান না, এই বই তাঁর জন্য। আপনি কি পরিবারের সেই মানুষ, যাঁর কাছে সবাই আসে? অফিসে যিনি কখনো “না” বলেন না? অন্যের মন খারাপ হবে ভেবে যিনি নিজের ক্লান্তির কথা কাউকে বলেন না? আমাদের সমাজে অন্যকে খুশি রাখা গুণ হিসেবে প্রশংসিত। “ভদ্র ছেলে”, “লক্ষ্মী মেয়ে”, “পরিবারের ভরসা”। কিন্তু এই প্রশংসার আড়ালে অনেক মানুষ ধীরে ধীরে নিজের ঘুম, শখ, বন্ধুত্ব, স্বাস্থ্য ও পরিচয় হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশি পরিবার ও সমাজের বাস্তবতা মাথায় রেখে বইটি তিন পর্বে এই অভ্যাসের শিকড়, তার মূল্য এবং ফেরার পথ অনুসন্ধান করেছে। প্রথম পর্বে আছে শৈশবের শিক্ষা, “লোকে কী বলবে” প্রশ্নের ভার এবং মনের ভেতরের সেই প্রক্রিয়াগুলো, যা আমাদের বারবার “হ্যাঁ” বলতে বাধ্য করে। দ্বিতীয় পর্বে উঠে এসেছে বড় সন্তানের কাঁধ, বিয়ের পরের সংসার, মা ও স্ত্রীর মাঝখানে দাঁড়ানো পুরুষ, কর্মক্ষেত্র, টাকাপয়সা, প্রবাস, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং শরীর-মনের ক্লান্তি। তৃতীয় পর্বে রয়েছে নিজের প্রয়োজন চেনা, দেয়াল না তুলে সীমারেখা টানা, সম্মানের সঙ্গে “না” বলার ভাষা, অপরাধবোধ সামলানো এবং সাহায্য নিতে শেখা। বইটি পরিবার ছাড়তে বা দায়িত্ব থেকে পালাতে বলে না; বরং দায়িত্ব পালন করেও কীভাবে নিজেকে হারিয়ে না ফেলা যায়, সেই কঠিন প্রশ্নের ব্যবহারযোগ্য উত্তর খোঁজে। যাঁদের জন্য: কাউকে “না” বলতে না পারা মানুষ, পরিবারের বড় সন্তান, যৌথ পরিবারে মানিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্ত পাঠক, কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়া পেশাজীবী, প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার এবং সন্তানকে নিজের পক্ষে দাঁড়াতে শেখাতে চান এমন বাবা-মা।

পরিচিতি

বাংলাদেশি পরিবার ও সমাজের বাস্তবতায় অন্যকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের প্রয়োজন পিছিয়ে দেওয়ার অভ্যাস, তার মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক শিকড় এবং সুস্থ সীমারেখা তৈরির ব্যবহারিক পথ নিয়ে লেখা বাংলা আত্মউন্নয়ন বই।

যা শিখবেন

  • অন্যকে খুশি রাখার অভ্যাসের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক শিকড় চিহ্নিত করা
  • নিজের প্রয়োজন ও ক্লান্তির সংকেত চিনে বাস্তবসম্মত ব্যক্তিগত সীমারেখা নির্ধারণ করা
  • মা-বাবা, আত্মীয়, শ্বশুরবাড়ি ও কর্মক্ষেত্রে সম্মানজনকভাবে “না” বলার ভাষা ব্যবহার করা
  • অপরাধবোধ ও লজ্জার পার্থক্য বুঝে অন্যায্য অপরাধবোধ সামলানোর কৌশল অনুশীলন করা
  • পুরোনো অভ্যাসে ফিরে গেলে ছোট পদক্ষেপে আবার শুরু করার পরিকল্পনা তৈরি করা

লেখক পরিচিতি

বিনামূল্যেবাংলা ডিজিটাল সংস্করণ · বাংলা