এই বই সম্পর্কে
বেনারসে বেড়াতে এসেছি। সঙ্গে আছেন মা ও ভাই-বোনেরা। অগস্ত্য কুণ্ডের সরু একটা গলির ভিতরে একখানা মাঝারি আকারের বাড়িতে আমাদের বাসা। বাড়িখানা তেতালা এবং সেকেলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ির মতো এরও নীচের তালার সঙ্গে সূর্যালোকের সম্পর্ক নেই বিন্দুমাত্র। তাই একতালার ঘরগুলো আমরা ব্যবহার করতুম না। আমাদের বেনারসে থাকার কথা মাস-তিনেক। দু-চার দিন যেতে-না-যেতেই এখানকার জনা কয়েক লোকের সঙ্গে আলাপ হল। তাঁরা প্রায়ই আমার সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। কাজেই একখানা বাইরের ঘর বা বৈঠকখানার দরকার হল। একদিন সকালে নীচে নেমে দেখলুম, নীচের কোনো ঘর কাজে লাগাতে পারা যায় কিনা। সদর দরজার পাশেই একখানা বড়ো ঘর পছন্দ হল। যদিও এ ঘরে চারটে জানালা ছিল, তবুও ঘরের ভিতরে বিরাজ করছিল প্রায় সন্ধ্যার অন্ধকার। কিন্তু বেনারসের বাসিন্দাদের অন্ধকার সম্বন্ধে বোধ হয় কোনো অভিযোগ নেই, অতএব এই ঘরখানাকেই বৈঠকখানার উপযোগী করবার চেষ্টায় নিযুক্ত হলুম। ঘরের জানালাগুলো খুলে দিয়ে দেখলুম, মাঝখানে রয়েছে একখানা চৌকি এবং পূর্ব দিকে দেওয়ালের গায়ে দাঁড় করানো রয়েছে প্রকাণ্ড একখানা ফ্রেমে বাঁধানো ছবি— নিশ্চয় বাড়িওয়ালারই সম্পত্তি। কিন্তু ছবিখানা ছিল পিছন ফিরানো। আমি তাকে সামনে ফেরাতে গিয়ে দেখলুম— না, এখানা তো ছবি নয়, দামি সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো মস্ত বড়ো এক আয়না.....
বইয়ের বিস্তারিত
- ভাষা
- বাংলা
ট্যাগসমূহ
- ভৌতিক
পাঠকের মতামত
অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।
আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান
বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
রিভিউ লিখতে লগইন করুন