এই বই সম্পর্কে
যুদ্ধোত্তর সময়ে টমি আর টাপেন্স নামক দুই যুবক- যুবতি ভীষন অর্থসংকটে পড়ে সিদ্ধান্ত নিলো ব্যবসায় নামবে। তবে সেই ব্যবসা যে খুবই বিপজ্জনক তা প্রতিষ্ঠানের নাম থেকেই বোঝা যায়- ইয়াং অ্যাডভেঞ্চারার্স লিমিটেড। কাজের খোঁজে দেওয়া বিজ্ঞাপনে তারা লিখেছে, যাবে যে কোনোখানে, করবে যেকোনো কাজ। রহস্যময় মিস্টার হুইটিংটন তাদের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট দেন। টাপেন্সকে তাদের প্রথম কাজটি করতে হবে প্যারিসে গিয়ে, জেন ফিন নামে একজন আমেরিকান হিসাবে পরিচয় দেয়া। কিন্তু কাজ শুরুর সাথে সাথেই আসে চুপ থাকার জন্য ঘুষ, সাথে মৃত্যুর হুমকি এবং তার কিছুদিনের মধ্যেই স্বয়ং নিয়োগকর্তার অন্তর্ধান। এবং তাদের নতুন কাজ হয়ে দাড়ালো গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করা এবং এইসব রহস্যের সমাধান করা! আসল জেন ফিন কোথায়? শুধুমাত্র তার নাম শুনেই সারা লন্ডনে এক অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তারা এই রহস্যময় মহিলাকে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে গত পাঁচ বছর ধরে নিখোঁজ। কিন্তু কেউ তাকে কখনো দেখেনি এবং সে যে গোপন নথিগুলি বহন করছিল তা কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। যুদ্ধোত্তর ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নির্ভর করে তাকে খুঁজে পাওয়া এবং গোপন নথিপত্র ফেরত পাওয়ার ওপর। ক্লু বলতে শুধুমাত্র ব্রিটিশ মন্ত্রনালয়ে আন্ডারকভার হিসেবে কাজ করা দুই যুবক জানায় জেন ফিনের একমাত্র ছবি তার ধনী আমেরিকান কাজিনের হাতে রয়েছে। কিন্তু সে ছবি উদ্ধার করতে যেয়ে তারা কল্পনাও করতে পারেনি কি ভয়ঙ্কর মৃত্যু ফাঁদে পা দিচ্ছে তারা!
পাঠকের মতামত
অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।
আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান
বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
রিভিউ লিখতে লগইন করুন