মূল বিষয়ে যান

জ্ঞান, দক্ষতা ও গল্প

বইয়ের নির্দেশিকা

একাল-সেকালের সতেরোটি ভৌতিক গল্প

এই বই সম্পর্কে

মানুষ তাকে বিশ্বাস করে না অথচ তার গল্প শুনতে ভালোবাসে। সে কী বা কে ? হ্যাঁ, ভূত । আমরা ভূতের অস্তিত্বে বিশ্বাস করি না কিন্তু ভৌতিক গল্প শুনতে বা পড়তে ভালোবাসি। বলা যায়, এ পৃথিবীতে মানুষ যতদিন থাকবে ভূতও ততদিন থাকবে। এ প্রসঙ্গে বুদ্ধদেব বসুর ভাষ্য হলো, “কে বলে ভূত নেই ? ভূত যে আছে আমাদের মনের মধ্যে, আমাদের রক্তে...বাইরের কোনো জিনিস নয়, আমরা তাকে সৃষ্টি করেছি মনের ইচ্ছা থেকে।” আরেকটি কথা, ‘ভূত' শব্দের অর্থ অতীত। তাই অধিকাংশ ভূতকেই দেখা যায় মৃত। তারা অতীতের জগৎ থেকে বর্তমানে উঁকি দিতে চায়। আসলে মানুষ তার অতীতকে যতটা ভালোবাসে ততটা ভয়ও পায়। আর তাই হয়তো মানুষ ভূতের সৃষ্টি করেছে। অবশ্য ভূত মানেই ভয়ানক কিছু নয় । তাই ভৌতিক গল্পে হাস্যরস থেকে নীতিকথা, সবই রয়েছে। অন্যদিন ঈদ উল আযহার এই বিশেষ সংখ্যাটি সাজানো হয়েছে ১৭টি ভৌতিক গল্প দিয়ে । এর মধ্যে পাঁচটি গল্প সাহিত্যের বিচারে কালোত্তীর্ণ । প্রথম গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। এতে ভৌতিক আবহ রয়েছে, যা যুক্তি দিয়ে নস্যাত্ত করা যায়।...প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পের উপস্থাপনা খুবই বিশ্বাসযোগ্য। ...বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পে রয়েছে মানুষ ও ভূতের একসঙ্গে অবস্থান। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পে লোকজ বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে। অন্যদিকে হুমায়ূন আহমেদের গল্পে ভূতের কোনো সরাসরি অস্তিত্বই নেই। বাকি ১২টি গল্প লিখেছেন সমকালীন গল্পকারেরা। এবং এ গল্পগুলোর প্রতিটিই নতুন; লেখা হয়েছে বিশেষ এই সংখ্যার জন্য। নানা স্বাদের গল্পগুলো পাঠকদের আপ্লুত করবে নিশ্চয়ই। সবাইকে ঈদ-শুভেচ্ছা।

বইয়ের বিস্তারিত

ভাষা
বাংলা

ট্যাগসমূহ

  • অ্যাডভেঞ্চার

পাঠকের মতামত

অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।

এখনো কোনো রেটিং নেই।
আপনার রেটিং পরের পাঠককে বই বেছে নিতে সাহায্য করতে পারে।

আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান

বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।

রিভিউ লিখতে লগইন করুন