এই বই সম্পর্কে
পাশাপাশি দু’টো বিছানায় গভীর নিদ্রায় মগ্ন দস্যু বনহুর আর এলিন। আজকাল বনহুর এলিনকে নিজ কক্ষেই রাখে, কারণ যে কোনো মুহূর্তে এলিনের বিপদ ঘটতে পারে। হাউবার্ড যে হানা দেবেই তাতে কোনো সন্দেহ নেই এবং সে জন্যই বনহুর এলিন ব্যাপারে সদা-সর্বদাই সজাগ থাকতো। আজও বনহুর জেগেছিলো, হঠাৎ কখন যে একটু নিদ্রা এসেছে সে জানে না। রহমান কিন্তু ঘুমাতে পারেনি, সে নিজের বিছানায় শয়ন করে লক্ষ্য করছিলো সবকিছু। সর্দার নিদ্রার কোলে ঢলে পড়লো, এটাও রহমান তীক্ষভাবে খেয়াল করেছে। বিশেষ করে এ মুহূর্তে তাকে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে। বনহুর আর এলিনের বিছানা পাশাপাশি ছিলো। রহমান শয়ন করতে কিছুদূরে অন্য একটি শয্যায়। প্রথমে কয়েক দিন এ কক্ষে একটি শয্যা ছাড়া কোনো শয্যা ছিলো না। তখন এলিনকে এই শয্যায় শয়ন করতে দিয়ে বনহুর নিজে সোফায় শয়ন করতো। রহমান শয়ন করতো পাশের কামরায়। কয়েক দিন হলো বনহুর নিজে এ ব্যবস্থা করেছে। এলিনকে সদা দৃষ্টিপথে রাখাই শুধু বনহুরের মূল উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য এলিনকে রক্ষা করা এবং কাপালিক শয়তান হাউবার্ডকে হত্যা করা।
বইয়ের বিস্তারিত
- ভাষা
- বাংলা
ট্যাগসমূহ
- রহস্য ও থ্রিলার
পাঠকের মতামত
অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।
আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান
বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
রিভিউ লিখতে লগইন করুন