এই বই সম্পর্কে
যদি সন্তান মেয়ে হয়, তুমি আর এই ঘরে পা রাখবে না, বউমা। মেয়ে সন্তান প্রসবের পরপরই এই ঘরের দ্বার তোমার জন্য বন্ধ হয়ে যাবে।" উনিশশো চুরানব্বই সালের পঁচিশে জুন শাশুড়ি মায়ের মুখে ঠিক এরকমই একটা ভয়ংকর বাণী শোনে, এক বৃষ্টিভেজা বিকেলের শেষমুহূর্তে ভাইয়ের চেষ্টা ও সহযোগিতায় শহরের একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে এসে দুটো জমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন মায়মুনা মজুমদার। কন্যা সন্তানকে তার শাশুড়ি অপয়া বলেই জানেন। আর বংশের প্রথম সন্তান তিনি কোনোভাবেই মেয়ে চান না। তাই তিনি ছেলের বউকে বলেছিলেন, যদি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, জীবন্ত কবর দিবেন। এমনসব হুংকার দিয়ে তাঁর মনের ভেতর ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন শাশুড়ি নূরুননেছা জাহান। সেই ভয়ে, সেদিন হসপিটালে জন্ম নেয়া কন্যা সন্তানের খবর শাশুড়ি মায়ের কাছে চিরদিনের জন্য গোপন রেখে দেন তিনি। সেদিনের পর কেটে গেছে ত্রিশটি বছর। আজও তিনি জানেন না, তার কন্যা সন্তানটি কোথায় আছে, কেমন আছে। বেঁচে আছে না কি মারা গেছে! তিনি কি খুঁজে পাবেন তার কন্যা সন্তানকে, যাকে জীবনের আশায় মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন? নাকি চিরজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলেছেন?
পাঠকের মতামত
অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।
আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান
বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
রিভিউ লিখতে লগইন করুন