এই বই সম্পর্কে
'আমি ভাবতে বাধ্য হচ্ছি যে', বললাম আমি। অধীর কণ্ঠে বললো শার্লক হোমস, 'আমিও তাই ভাবতাম।' 'মরদেহদের মধ্যে আমিই সবচেয়ে বেশিদিন যন্ত্রণা সয়ে আছি, এ বিশ্বাস আমার আছে। তাও সেদিনকার শ্লেষবঙ্কিম বাধা প্রদানে মেজাজ খিঁচড়ে গেল।'\nকড়া গলায় বললাম, 'হোমস, মাঝে মাঝে সত্যিই তোমাকে বরদাস্ত করা যায় না।' হোমস তখন নিজের চিন্তাতেই এমন বুঁদ হয়ে রয়েছে যে আমার প্রতিবাদের তখুনি কোনো জবাব দিলো না। প্রাতরাশ তখনও মুখে তোলেনি। খাম থকে সদ্য বের করা কাগজের টুকরোটির দিকে অনিমেষে চেয়ে আছে হাতের ওপর ভর দিয়ে। তারপর খামটা তুলে নিলো, আলোর সামনে ধরে খুব হিসেবি চোখে বাইরের দিকটা এবং পেটির মতো ঝুলে থাকা আঠা লাগানোর জায়গাটা দেখলো।\nবললো চিন্তামগ্ন কণ্ঠে, 'এ যে দেখছি পোর্লকের হাতের লেখা। বার-দুয়েক এ হাতের লেখা আগে দেখেছি। তবুও এটা পোর্লকেরই হাতের লেখা, গ্রিক 'e'র বাহারি চুড়োটাই ধরিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এ চিঠি যদি পোর্লকের হয়, তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটেছে নিশ্চয়।'\nকথাগুলো হোমস যেন আমাকে বলছে না, নিজের মনেই বলে যাচ্ছে। আমার বিরক্তি উবে গিয়ে কৌতূহল হলো। কী বলতে চায় হোমস?
বইয়ের বিস্তারিত
- ভাষা
- বাংলা
ট্যাগসমূহ
- রহস্য ও থ্রিলার
পাঠকের মতামত
অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।
আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান
বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
রিভিউ লিখতে লগইন করুন