মূল বিষয়ে যান

জ্ঞান, দক্ষতা ও গল্প

বইয়ের নির্দেশিকা

শেষ গল্প

এই বই সম্পর্কে

রাফাত সাহেব ছোটবেলা থেকেই খুব বই পড়তে পছন্দ করতেন। অবশ্য উনি একনিষ্ঠ পাঠক ছিলেন, লেখালেখির ব্যাপারটা মাথায় ছিল না। বন্ধু আদিল হাসানই লেখালেখির ব্যাপারটা ওনার মাথায় ঢুকিয়েছেন। বন্ধুবর বলেছিলেন, “দোস্ত তুই এত পড়িস। লিখলেই পারিস। প্রকাশের দায়িত্ব আমার।” কথাটি হয়তো উনি নিছকই কথার ছলেই বলেছিলেন কিন্তু রাফাত সাহেবের মাথায় ব্যাপারটি ঢুকে গেল। শুধু যে ঢুকলো তা না বরং রক্তচোষা জোঁকের মতো ঢুকে গেল। রক্তচোষা না বলে বলা ভালো মগজচোষা জোঁক। মাথার মধ্যে মগজচোষা জোঁকটি প্রতি মিনিটে মিনিটে টোকা দিতে লাগলো। মিহি স্বরে বলতো যেন, ‘লিখতে হবে, লিখতে হবে। লিখতেই হবে। কী ব্যাপার এখনও লেখা শুরু করছেন না কেন?’ কিন্তু বিচিত্র কোনো কারণে রাফাত সাহেব লিখতে পারেন না। তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো ওনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। ওরা হয়ে যায় স্বাধীন সত্ত্বা। অবশেষে কী তিনি লিখতে পারবেন? কী ছিল সেই লেখা!

বইয়ের বিস্তারিত

ভাষা
বাংলা

পাঠকের মতামত

অন্য পাঠকদের মতামত পড়ুন, অথবা নিজের অভিজ্ঞতা জানান।

এখনো কোনো রেটিং নেই।
আপনার রেটিং পরের পাঠককে বই বেছে নিতে সাহায্য করতে পারে।

আপনার পড়ার অভিজ্ঞতা জানান

বইটিকে রেটিং বা রিভিউ দিতে আপনার গ্রাহক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।

রিভিউ লিখতে লগইন করুন