ভালোবাসা আছে, সম্মান কই?
সম্পর্কের মধ্যে অপমান, তুচ্ছ করা, ব্যক্তিগত সীমা ও পারস্পরিক মর্যাদা
রচনা: ebuk
ভালোবাসা আছে, কিন্তু সম্মান নেই—এমন সম্পর্কের অস্বস্তি চেনা, বোঝা আর সামলানোর বই। ঠাট্টার আড়ালের অপমান থেকে ব্যক্তিগত সীমা টানা, ক্ষমা চাওয়া থেকে নিরাপদ থাকা পর্যন্ত, বাংলাদেশের পারিবারিক বাস্তবতায় লেখা।
যা শিখবেন
- সম্পর্কে অপমান, তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও নীরব অবজ্ঞার ধরন চিনতে পারা
- ব্যক্তিগত সীমা নির্ধারণ ও তা স্পষ্টভাবে জানানো
- সীমা লঙ্ঘিত হলে করণীয় চিহ্নিত করা
- পৃষ্ঠা
- ২৫৮
- ভাষা
- বাংলা
- প্রকাশিত
- ২০২৬
- প্রকাশক
- ইবুক ডিজিটাল মিডিয়া
এই বই সম্পর্কে
ঠাট্টার ছলে খোঁটা, সবার সামনে ছোট করা, কথা শুনতে না চাওয়া, “তুমি বেশি সেনসিটিভ” বলে অনুভূতি উড়িয়ে দেওয়া। এগুলো অনেক সংসারে এত সাধারণ যে কষ্ট পেলেও আমরা নিজেকেই প্রশ্ন করি: আমি কি বাড়াবাড়ি করছি? এই বই সেই প্রশ্নটা জোরে করে। ভালোবাসা আর সম্মান যে এক জিনিস নয়, সেটা দিয়ে শুরু করে বইটা দেখায় অসম্মান কত রূপে আসে, কোথা থেকে শেখা হয়, আর কীভাবে তা থামানো যায়। বাংলাদেশের পরিবার, শ্বশুরবাড়ি, টাকা ও ক্ষমতার বাস্তবতা মাথায় রেখে লেখা। পুরুষের অপমানের অভিজ্ঞতাও এখানে আছে। আর যিনি পড়তে পড়তে নিজের আচরণের ছায়া দেখবেন, বইটা তাঁকেও দোষী না করে বদলানোর পথ দেখায়। ## বইটা থেকে যা পাবেন - ঠাট্টা, খোঁটা, তুলনা, নীরব অবজ্ঞা আর প্রকাশ্য অপমান চেনার ভাষা - “বাস্তবতা অস্বীকার করানো” কী, আর নিজের উপলব্ধির ওপর আস্থা কীভাবে ফেরে - শৈশব, শ্বশুরবাড়ি, টাকা আর যত্নের নামে নিয়ন্ত্রণ কীভাবে অসম্মানের জমি তৈরি করে - সীমা টানা ও কথা বলার ব্যবহারিক উপায়, সীমা ভাঙলে করণীয় - ঝগড়ার মধ্যেও মর্যাদা রাখার নিয়ম - নিজের অসম্মানজনক আচরণ চেনা ও সত্যিকারের ক্ষমা চাওয়া - সন্তান, মা-বাবা ও ভাইবোনের সম্পর্কে সম্মান - সম্পর্ক কখন আর নিরাপদ নয়, শরীর ও সম্মতির প্রশ্ন, সহায়তার তথ্য - পরিশিষ্টে আত্মজিজ্ঞাসার প্রশ্ন আর কঠিন কথোপকথনের নমুনা বাক্য ## কাদের জন্য দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্কে অস্বস্তি টের পান এমন পাঠক, পারিবারিক তুচ্ছতাচ্ছিল্যের অভিজ্ঞতা আছে এমন মানুষ, নিজের আচরণ কাছের মানুষকে আঘাত করছে কি না বুঝতে চান যাঁরা, সম্পর্কের সিদ্ধান্তের আগে শুরুর সংকেত দেখতে চান যাঁরা, এবং কাউন্সেলিং বা পারিবারিক সহায়তার কাজে যুক্ত পাঠক। ## বিষয়সূচি এক নজরে চার পর্বে ২৬টি অধ্যায়। প্রথম পর্বে ভালোবাসা ও সম্মানের পার্থক্য, ঠাট্টা-খোঁটা-তুলনা, নীরব অবজ্ঞা, প্রকাশ্য অপমান এবং “তুমি বেশি সেনসিটিভ” কথাটি। দ্বিতীয় পর্বে শৈশবের শিক্ষা, শ্বশুরবাড়ি, টাকা ও ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, পুরুষের অপমান এবং শুরুর সংকেত। তৃতীয় পর্বে সীমা চেনা ও বলা, সীমা ভাঙলে করণীয়, ঝগড়ায় মর্যাদা এবং দুই পরিবারের মাঝখানে থাকা। চতুর্থ পর্বে নিজের আচরণ, ক্ষমা, সন্তান-অভিভাবক-ভাইবোনের সম্পর্ক, অনিরাপদ সম্পর্ক, শরীর ও সম্মতি, দুর্বল সময়, ঘরের কাজ এবং নিজের প্রতি সম্মানের চর্চা।
পরিচিতি
যে সম্পর্কে ভালোবাসা আছে, অথচ নিজেকে ছোট লাগে, সেই অস্বস্তির নাম দেওয়ার বই।
যা শিখবেন
- সম্পর্কে অপমান, তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও নীরব অবজ্ঞার ধরন চিনতে পারা
- ব্যক্তিগত সীমা নির্ধারণ ও তা স্পষ্টভাবে জানানো
- সীমা লঙ্ঘিত হলে করণীয় চিহ্নিত করা
- অসম্মানজনক আচরণ বুঝে দায়িত্ব নেওয়া ও ক্ষমা চাওয়া
- ঝগড়া ও পারিবারিক সম্পর্কে পারস্পরিক মর্যাদা বজায় রাখা
- অনিরাপদ সম্পর্ক ও সহায়তার প্রয়োজনীয়তা চিনতে পারা
