Skip to content

Knowledge, skills & stories

কাজ শিখেছি, দাম চাইতে শিখিনি
Read a sample
Bookপ্রাথমিক

কাজ শিখেছি, দাম চাইতে শিখিনি

চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং ও ছোট ব্যবসায় নিজের কাজের মূল্য বুঝতে ও বোঝাতে শেখা

by ebuk

কাজ শেখার জায়গা আছে, কিন্তু সেই কাজের দাম চাইতে কেউ শেখায় না। চাকরিজীবী, ফ্রিল্যান্সার ও ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বেতন আলোচনা, রেট ঠিক করা, বাড়তি কাজ সামলানো ও নিজের অবদান স্পষ্ট করার হাতেকলমে বাংলা বই।

Pages
331
Language
Bangla
Published
2026

About this book

অফিসের যে মানুষটার কাছে সবাই যায়, তাঁর বেতন প্রায়ই সবচেয়ে কম বাড়ে। বছর শেষে মূল্যায়নের মিটিংয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, "আর কিছু বলবেন?" তিনি বলেন, "না, ঠিক আছে।" বেরিয়ে এসে টের পান, অনেক কিছু বলার ছিল। একজন ডিজাইনার কোটেশনের সংখ্যাটা তিনবার লেখেন, তিনবার মোছেন। শেষে যা পাঠান, তা প্রথম সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। বাসায় আচার বানানো উদ্যোক্তা পরিচিতজনকে বলেন, "যা খুশি দিয়েন।" মফস্বলের কম্পিউটার দোকানি আধঘণ্টা খেটে বলেন, "আরে, টাকা লাগবে না।" নতুন স্নাতক ইন্টারভিউয়ে বলেন, "আপনারা যা ভালো মনে করেন।" এঁদের কারও দক্ষতায় ঘাটতি নেই। কাজটা তাঁরা জানেন, কিন্তু সেই কাজের দাম মুখে আনতে গিয়ে আটকে যান। কাজ শিখেছি, দাম চাইতে শিখিনি এই নির্দিষ্ট ঘাটতিটা ধরে। বস যখন বলেন "এ বছর বাজেট টাইট", বা ক্লায়েন্ট লেখেন "অন্য একজন এর অর্ধেকে করে দিচ্ছে", তখন পরের বাক্যটা কী হবে, সেটা মনোবলের প্রশ্ন নয়, প্রস্তুতির প্রশ্ন। বইটি সেই প্রস্তুতি দেয়: নিজের কাজের মূল্য হিসাব করার পদ্ধতি, কঠিন মুহূর্তে বলার মতো বাক্য, আর আলোচনা আশামতো না গেলে পরের পদক্ষেপ। পুরো বইজুড়ে পাঁচজন মানুষের সঙ্গে পাঠক হাঁটবেন: • নাদিয়া: পাঁচ বছর একই অফিসে, সবার ভরসা, অথচ বেতন বেড়েছে সামান্য। • রাফি: সদ্য স্নাতক, expected salary প্রশ্নে বলে ফেলেছিলেন "যা দেন"। • তানভীর: ফ্রিল্যান্স ডিজাইনার, কম রেট আর অফুরন্ত রিভিশনে আটকানো। • শাহনাজ আপা: বাসা থেকে আচার-কেক বিক্রি করেন, নিজের শ্রমের দাম কখনো হিসাবে ধরেননি। • মিঠু ভাই: মফস্বলের দোকানি, "একটু দেখে দেন" অনুরোধে দিন যায়। তাঁদের গল্পে জয়ের নাটক নেই। আছে আংশিক সাফল্য, হারানো ক্লায়েন্ট, কাগজে লেখা পরের আলোচনার তারিখ, আর ধীরে ধীরে অভ্যাস বদলানো। চরিত্রগুলো কাল্পনিক। আপনি চাকরি করুন, ফ্রিল্যান্সিং করুন বা ছোট একটা ব্যবসা চালান, মিটিং থেকে বেরিয়ে যদি কখনো মনে হয়ে থাকে "কথাটা বলা হলো না", এই বই সেই না-বলা কথাটা বলার জন্য। কাদের জন্য • ইন্টারভিউয়ে expected salary প্রশ্নে যাঁরা আটকে যান। • দায়িত্ব বেড়েছে, কিন্তু ইনক্রিমেন্ট চাইতে যাঁরা বাক্য খুঁজে পান না। • "তুমি তো পারো" বলে যাঁদের টেবিলে বাড়তি কাজ জমে। • রেট বলার আগে যে ফ্রিল্যান্সাররা সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনেন। • আত্মীয়-পরিচিতদের ছাড় আর বাকির ভারে যে উদ্যোক্তারা লাভের খোঁজ পান না। • কাস্টমার হারানোর ভয়ে যাঁরা দাম বাড়াতে পারছেন না। বইয়ে যা পাবেন • টাকার কথা বলতে কেন অস্বস্তি হয়, তার সহজ ব্যাখ্যা। • নিজের "ন্যূনতম" আর "লক্ষ্য" সংখ্যা ঠিক করার পদ্ধতি। • ইন্টারভিউ, অফার, ইনক্রিমেন্ট ও পদোন্নতি আলোচনার প্রস্তুতি। • সম্পর্ক না ভেঙে বাড়তি কাজে সীমা টানার উপায়। • ফ্রিল্যান্স রেট হিসাব, প্যাকেজ, স্কোপ, রিভিশন আর পেমেন্ট ফলো-আপের ভাষা। • পণ্যের আসল খরচ, সার্ভিস চার্জ, ছাড়ের নীতি আর দাম বাড়ানোর ঘোষণা। • "না" বলার বাংলা বাক্য, পরিস্থিতি ধরে ধরে। • পরিশিষ্টে ব্যবহারযোগ্য ছক ও কথার নমুনা।

Overview

চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং ও ছোট ব্যবসায় নিজের কাজের মূল্য বুঝতে, হিসাব করতে ও বোঝাতে শেখার ব্যবহারিক বাংলা বই। পাঁচ পর্বে ১৮টি অধ্যায়, পাঁচটি কাল্পনিক চরিত্রের পরিচিত পরিস্থিতি এবং পরিশিষ্টে হিসাবের ছক ও কথার নমুনা।

What you will learn

  • নিজের কাজের খরচ, সময় ও ফল বিবেচনায় ন্যূনতম ও লক্ষ্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা
  • ইন্টারভিউ, চাকরির প্রস্তাব, বেতন বৃদ্ধি ও পদোন্নতির আলোচনায় নিজের অবদান স্পষ্ট করা
  • ফ্রিল্যান্স কাজের রেট, স্কোপ, রিভিশন ও পেমেন্ট ফলো-আপের ভাষা প্রস্তুত করা
  • ছোট ব্যবসায় পণ্যের খরচে নিজের শ্রম অন্তর্ভুক্ত করে ছাড় ও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জানানো
  • বাড়তি কাজের অনুরোধে সীমা টানা এবং সম্মান রেখে না বলার ভাষা ব্যবহার করা

About the author

Freeবাংলা ডিজিটাল সংস্করণ · Bangla