চতুরঙ্গ
রচনা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাসের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে চতুরঙ্গে মিশেছে প্রেম, বিশ্বাস এবং আত্মঅনুসন্ধান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষের প্রতি দায় ও ব্যক্তিগত মুক্তির আকাঙ্ক্ষার মধ্যে তৈরি হওয়া দ্বন্দ্বকে সংহত কাহিনিতে তুলে ধরেছেন।
এই বই সম্পর্কে
জীবনের অর্থ খুঁজতে গিয়ে শচীশের পথ ক্রমাগত বদলায়। তার অভিজ্ঞতার সঙ্গে জড়িয়ে যায় শ্রীবিলাসের বন্ধুত্ব এবং দামিনীর প্রবল উপস্থিতি। ধর্মীয় সাধনা, সমাজের প্রতি দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত অনুভূতির মধ্যে যে ব্যবধান তৈরি হয়, তা সম্পর্কগুলিকে সহজ থাকতে দেয় না। চতুরঙ্গে চিন্তার তর্ক কেবল বক্তব্য হয়ে আসে না; চরিত্রদের আকাঙ্ক্ষা, দূরত্ব ও সিদ্ধান্তে তার ফল প্রকাশ পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রশ্ন করেন মানুষের জীবনে বিমূর্ত আদর্শের পাশাপাশি বাস্তব মানুষটির স্থান কতখানি। প্রেম ও দর্শনকে পাশাপাশি রেখে লেখা সংক্ষিপ্ত অথচ ঘন বাংলা উপন্যাস পড়তে চাইলে এই রচনা একটি মনোযোগী নির্বাচন।
বইয়ের বিস্তারিত
- ভাষা
- বাংলা
- প্রকাশক
- গ্রন্থ কুটির
- পৃষ্ঠা
- ৭২